বেঙ্গলি নিউজ ডেস্ক: চলে গেলেন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক আপোষহীন, আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক গৃহায়ণ এবং গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। তিনি ঢাকার স্কায়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৩ বছর।

বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টার দিকে না ফেরার দেশে চলে যান। কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তাঁর মৃত্যুতে চট্রগ্রাম বাসীর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হলো।
মোশারফ হোসেন ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলনে সরকার পতনের পর ২৭ অক্টোবর রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তাঁকে চট্রগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় নানা রোগে আক্রান্ত হন তিনি। এর মধ্যে একবার তাঁকে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন বলেছিলেন, মোশারফ হোসেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। উনার ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, ডিমেনশিয়াসহ নানাবিধ রোগ আছে।
গেল বছরের ৫-অগাস্ট রাতে হঠাৎ বার্ধক্যজনিত কারণে গুরুত্বও অসুস্থ হন। পরে তাঁকে কারাগারের হাসপাতাল থেকে তাঁকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গেল বছরের ১৪ অগাস্ট জামিনে মুক্তি পান তিনি।
সাবেক এই মন্ত্রীর নমে ঢাকাসহ চট্রগ্রামে বেশকয়েকটি মামলা ছিল। পল্টন থানার একটি মামলায় জামিনে মুক্তি পান।
মোশাররফ হোসেনে ১৯৪৩ সালের ১২ জানুয়ারিতে চট্রগ্রামে মীরসরাই উপজেলার ধুম গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
তিনি চট্রগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসন থেকে বার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ আওয়ামী লীগ থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণেতাও ছিলেন।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর এই বর্ষীয়ান নেতা সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্রগ্রাম-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে এমপি হন মোশাররফের ছেলে মাহবুব রহমান রাহেল।





