গাজীপুর সংবাদদাতা: গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ির বেশকয়েকটি এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধভাবে তিতাস গ্যাস সংযোগ দিয়ে অবাধে ব্যবহার করে আসছে।
এর মধ্যে নগরীর জরুন এলাকায় মো. রুমেল পাঠান কয়েক মাস পূর্বে তিনি ৮ লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে আবারো অবৈধ সংযোগ দিয়ে অবাধে চালাচ্ছেন অবৈধ গ্যাস।

একাধিক সূত্রে জানায়, তিতাসের কিছু অসাধু ব্যক্তিদের সঙ্গে আঁতাত করে অবৈধভাবে সংযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিতাস গ্যাসের অপব্যবহার করে আসছে। এতে সরকার যেমন রাজস্ব আয় পাচ্ছে না, তেমনি বৈধ গ্রাহকরা গ্যাসের চাপ না পেয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
বৈধ গ্রাহকদের দাবি, অবৈধ সংযোগের সঙ্গে জড়িত দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নে তিতাস কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন তাঁরা।
জানা গেছে, রুমেল পাঠান ছাড়াও নগরীর কোনাবাড়ি হাউজিং সোসাইটিতে আমবাগ পশ্চিমপাড়া এলাকার আব্দুল আজিজ এর নেতৃত্বে কোনাবাড়ি হাউজিং সোসাইটিতে শথ শত দ্বিমুখী গ্যাসের চুলা ব্যবহার হচ্ছে।
কোনাবাড়ি থানার পূর্ব ও উত্তর পাশে প্রায় ১২টি বহুতল ভবনে মো. আরিফ, পারু, কুদ্দুসনগর পেয়ারা বাগান রূপ মেম্বারের বাড়ি, বাইমাইল। আমবাগ ঢালাই-কারখানা সংলগ্ন পশু চিকিৎসক পলাশের ৬তলা ভবনসহ শত শত বাসা-বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দিয়ে সরকারি সম্পত্তির অপব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সরকার অতিমাত্রায় রাজস্ব হারাচ্ছেন।
অন্যদিকে দালাল চক্রেদের পকেটভারী হচ্ছে। অনেকেই তিতাসের ভুয়া ঠিকাদার সেজে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে করেছে বহুতল ভবন।
কোনাবাড়ি থানা এলাকার মো. আরিফ হোসেন বলেন, আমার বৈধ গ্যাস লাইন থেকে রাইজার নামানো আছে, তবে বাসায় অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করছি।
তবে গোপন সূত্রে জানা গেচছ, কালিয়াকৈর চন্দ্রা জোনাল অফিসের গাড়ি চালাক রাজুসহ বেশকিছু কর্মচারী ও ঠিকাদারের নামে অভিযোগ রয়েছে। মূলত এদের যোগসাজশে এসব সংযোগ চলে আসছে।
গাজীপুর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিঃ কালিয়াকৈর চন্দ্রা শাখার ম্যানেজার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জড়িত অসাধু কর্মচারী ও ঠিকাদারদের নিয়ে পরবর্তী প্রতিবেদন নিয়ে আসছি।





